পুলিশের নিস্কীয়তায় মাদকে ভাসছে ফতুল্লা

13

নিজস্ব প্রতিবেদক
মাদকের জোয়ারে ভাসছে ফতুল্লার দাপা, বেপারী পাড়া, খোঁজপাড়া, রেলস্টেশন, শিয়াচর, কবরস্থান,পোস্ট অফিস রোড সহ আশ-পাশের এলাকা। প্রতিটি এলাকার প্রতিটি অলি-গলিতেই হাত বাড়ালেই মিলছে মদ, গাজা, হেরোইন, ফেনসিডিল, নিষিদ্ধ যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট হালের ক্রেজ খ্যাত মাদক ইয়াবা ট্যাবলেট সহ নানা মাদক দ্রব্য।


দীর্ঘদিন ধরে এ সকল এলাকা মাদকের সুরক্ষিত গোডাইন বা নিরাপদ জোন হিসেবে বিভিন্ন মহলে পরিচিতি পেয়ে আসলে ও রহস্যজনক কারনে নির্বিকার আইন- শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। মাদকের এই ভয়াবহতায় অভিভাবক মহল তাদের সন্তানদের নিয়ে উদ্বিগ্ন।আর তাই মাদকের ভয়াবহ অপব্যবহার রোধে জেলা পুলিশের আরো তৎপর হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছেন সেচতন মহল।
নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্রমতে, উল্লেখিত এলাকায় মাদকদ্রব্য হয়ে উঠেছে সব চাইতে সহজলভ্য। হাত বাড়ালেই যত্রতত্র মিলছে মাদক।নিজ বাসায় বসেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে মাদকসেবীরা চাহিদানুযায়ী পাচ্ছে মাদক। অল্প পূজিঁ অধিক লাভ। রাতারাতি অর্থশালী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর থেকে নতুন করে জড়িয়ে পরছে অনেকেই মাদক ব্যবসায়।আবার মাদকদ্রব্য সহজলভ্য হয়ে পরায় মাদক সেবনে জড়িয়ে পরছে অনেকেই।

একাধিক সূত্রমতে,উল্লেখিত এলাকার মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণে সাম্প্রতি সময়ে গড়ে উঠেছে নতুন এক সিন্ডিকেট। পুরোনো এবং নতুন মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ে গড়ে উঠা এ মাদক সিন্ডিকেটের উল্লেখ্যযোগ্যরা হলো দাপা শিয়াচর উকিল বাড়ীর মোড় এলাকার ওহিদ মাস্টারের পুত্র মনা( সাবেক ছাত্রদল ক্যাডার),দাপা সরদার বাড়ীর ইয়াসীন ও তার কথিত স্ত্রী আসমা,দাপা বেপারী পাড়ার নাজমুল ওরফে জুয়াড়ী নাজমুল,দাপা মসজিদ এলাকার জাকির,মিজান ওরফে ক্যামিস্ট মিজান,ছগির উল্লেখযোগ্য।

আবার এদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে সুমন ওরফে সুকানী সুমন,সোর্স পান্না,মাথা মোটা বাবুল,সোহান,নুর ইসলাম ওরফে কালু, দেলু,শওকত ও তার স্ত্রী তাসলীমা,কুট্টি মামুন,রবিন,নেত্রীর ছেলে জাবেদ, আনোয়ার, আরিফ,দুলাল,আসমা,ফারুক ওস্তাগার,বাংলা জলিল,সাইকেল লিটন,আলামীন,বাইল্লা সুমন,কল্পনা সহ আরো ২৫/৩০ মাদক বিক্রেতা।পুলিশ মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে মাদক সহ দু- একজন মাদক বিক্রেতা কে গ্রেফতার করলে মাদকের সাথে জড়িত রাঘব বোয়ালেরা প্রতিবারই থেকে যায় ধরা ছোয়ার বাইরে।