ফতুল্লা আওয়ামী লীগে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়নের দাবি

169

আমাদের নারায়ণগঞ্জঃ আগামী ৭ ডিসেম্বর ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হতে যাচ্ছে। প্রায় ১৫ বছর পর সম্মেলনের মধ্যমে নতুন কমিটি ঘোষণা করবেন জেলা আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারনী ফোরাম। এই সম্মেলনকে ঘিরে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। নেতারা কর্মীদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। দীর্ঘদিন পর ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের নতুন কমিটি হতে যাচ্ছে এমন সংবাদে নড়েচড়ে বসেছে থানা আওয়ামী লীগের তৃনমূলের নেতাকর্মীরা।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগে প্রত্যাশিত পদ পেতেও জোর লবিং চালাচ্ছে নেতারা। তবে তৃনমূল থেকে দাবি উঠেছে যারা দলের হয়ে দুঃসময়ে কাজ করেছে, ত্যাগ স্বীকার করেছে তাদেরকে সামনের সাড়িতে নিয়ে আসার। এদিকে, আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে ঘিরে থানা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে কে হবে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের আগামী দিনের কান্ডারি তা নিয়ে কর্মীদের মধ্যে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। আওয়ামী লীগের নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানাগেছে, সভাপতি এবং সাধারন সম্পাদকের মধ্যে কোন পরিবর্তন আসছে না। বর্তমান সভাপতি ও সাধারন সম্পাদককে একই পদে বহাল রেখে অন্যান্য পদগুলোতে নতুন মুখ আসতে আসতে পারে। তবে নতুন মুখ হিসেবে কারা আসছে তা কেউ নিশ্চিত করে বলছে না। তবে দলের দুঃ সময়ে যারা দলের জন্য কাজ করেছে, তাদেরই নতুন কমিটিতে স্থান দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র।

সূত্রমতে,নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের কাউন্সিলকে ঘিরে গত কয়েক মাস ধরেই থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুল্লাহ বাদল, সাধারন সম্পাদক শওকত আলীসহ বিভিন্ন স্তরের নেতারা ব্যস্ত সময় পার করছেন। ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নের নেতারা ব্যস্ত রয়েছে নতুন করে সদস্য সংগ্রহের কাজে। যদি এ নিয়ে নানা বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তবে সব বিতর্কের উর্ধ্বে থেকে থানা আওয়ামী লীগ নতুন করে গঠন করার লক্ষ্যে কাজ করছেন নেতারা। এ দিকে থানা আওয়ামী লীগ গঠনের খবরে আওয়ামী লীগের সভাপতি,সাধারন সম্পাদকসহ বেশ কিছু পদে একাধিক নেতার নাম শোনা গেলেও তা ধিরে ধিরে আলোচনার বাইরে চলে যায়।

সভাপতি পদে প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা শহিদ উল্লাহ, এম এ আউয়াল ও সাধারন সম্পাদক পদে কাউছার আহমেদ পলাশের নাম শোনা গেলেও এখন আর এ নিয়ে কোন আলোচনা নেই। এছাড়া সাধারন সম্পাদক হিসেবে যুবলীগ নেতা মীর সোহেল, থানা স্বেচ্ছা সেবক লীগের সভাপতি ফরিদ আহমেদ লিটন, আওয়ামী লীগ নেতা মোবারক হোসেন,আসাদুজ্জামা, আঃ খালেক মুন্সি, বদিউজ্জামানের নাম শোনা যায়। কিন্তু বর্তমান সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকেই আস্থা বেশী কেন্দ্রীয় নেতাদের। তবে যারা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পদে আসতে আগ্রহী হয়েছেন তাদেরও আওয়ামী লীগের সম্মানজনক পদে স্থান দেয়া হবে বলেও আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্রে জানগেছে। তবে আওয়ামী লীগের তৃনমূলের নেতাকর্মীদের দাবি, আগামীতে যারাই নেতৃত্বে আসবে, তারা যেন কর্মী বান্দব নেতা হয়।