কুতুবপুরে সন্ত্রাসী চাঁদ সেলিম-কিলার হাবিবুল্লাহ আতঙ্ক

136

আমাদের নারায়ণগঞ্জঃ কুতুবপুরের চাঁদ সেলিম ও কিলার হাবিবুল্লার নামে একাধিক অভিযোগ হলেও রহস্যজনক কারণে পুলিশ কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না। উল্টো কিলার, সন্ত্রাসীদের নিয়ে এলাকায় প্রকাশ্যে দাবড়িয়ে বেড়াচ্ছে। বিদায়ী এসপি হারুন নারায়ণগঞ্জের দায়িত্ব নেয়ার পর এলাকায় ফিরে এসে বিতর্কীত কর্মকান্ডে জড়িয়ে যায় এই সন্ত্রাসী। একের পর এক বিতর্কীত কর্মকান্ডের কারণে কুতুবপুরকে অশান্ত করে।

গত সপ্তাহে চাঁদ সেলিম,কিলার হাবিবুল্লাহ্,সন্ত্রাসী মুরাদ,চয়নকে নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কারণে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে ফতুল্লা মডেল থানায়। কিন্তু একটি অভিযোগেরও সুষ্ঠু তদন্ত হয়নি। বরং উল্টো জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা করে চাঁদ সেলিম আবারো আলোচনা চলে আসে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বাইরে থাকা মীরু ও তার সমর্থকদের কোন ঠাসা করতে চাঁদ সেলিম বাহিনীকে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। অনেক নেতা চাঁদ সেলিম বাহিনীকে নিয়ে একাধিক বৈঠকেও মিলিত হয়েছে বলেও স্থানীয়দের অভিযোগ। তবে কী কারণে চাঁদ সেলিম বাহিনীর বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে না এ নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে এলাকাবাসী।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, মীরুর শূণ্যস্থান পূরণ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে স্থানীয় সন্ত্রাসী চাঁদ সেলিম,খান সেলিম,মুরাদ ও হাবিবুল্লার নেতৃত্বে থাকা অপর একটি সন্ত্রাসী বাহিনী। ইতোমধ্যে মীরুর ডিস এবং ইন্টার নেটের ব্যবসা দখলে বেশ কয়েক বার তৎপরতা চালিয়েছে। সন্ত্রাসী চাঁদ সেলিম ও খান সেলিম কবরীর ক্যাডার হিসেবে এলাকায় পরিচিত। নানা সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কারণে দীর্ঘদিন এলাকার বাইরে ছিল। মুরাদও কবরীর ক্যাডার হিসেবে পরিচিত।

হাবিবুল্লাহ এক সময় মীরু সাথে থাকলেও এক মীরুর বিরোধীতা করে নতুন বাহিনীতে যোগ দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে বলে অভিযোগ স্থানীয় মহলের। হাবিবুল্লার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা,মাদক মামলা,অস্ত্র মামলা রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, চাঁদ সেলিম, খান সেলিম,চয়ন, মুরাদ ও হাবিবুল্লার নেতৃতে বিশাল একটি বাহিনী এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে নানা ধরনের সন্ত্রাসীকর্মকান্ডে জড়িয়ে পরেছে। এসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের কারণে গত সপ্তাহে ফতুল্লা মডেল থানায় একাধিক অভিযোগ হলে থানা পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ। এ ব্যাপারে পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ দাবি করেছে এলাকার ভুক্তভোগী মহল।