ফতুল্লায় মনির হত্যাকারীরা অধরা

48

আমাদের নারায়ণগঞ্জ ডটকমঃ ঘটনার এক বছর পেরিয়ে গেলে ও রহস্য উদঘাটন হয়নি ফতুল্লা রেল স্টেশন ব্যাংক কলোনী এলাকার মনির হত্যা মামলার রহস্য।মামলার এজাহারভুক্ত আসামীদের মধ্যো রংমালা নামে এক আসামীকে গ্রেফতার হলেও বাকী আসামীরা ঘুরে ফিরছে প্রকাশ্যে।এতে করে মামলার ভবিষৎ নিয়ে সন্দিহান প্রকাশ করেছে নিহতের পরিবার।নিহতের পরিবারের অভিযোগ মামলার এজাহারভুক্ত আসামীরা বাইরে থাকলে মামলায় প্রভাব বিস্তার সহ ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারে পরিবারটি।

মনির হোসেন হত্যা মামলার বাদী তার পিতা মো.নুরুদ্দিন মিল্কির দায়ের করা মামলা সুত্রে জানা যায়,মনির হোসেনের প্রথম স্ত্রী ৭ বছর পুর্বে তাকে ফেলে চলে গেলে মামলার ১ নং আসামী সিফাতের শাশুড়িকে বিয়ে করেন প্রায় ১ বছর পুর্বে। বিষয়টি জানা জানি হলে সিফাতের সাথে মনিরের শত্রুতা শুরু হয়। সে সুত্র ধরেই গত ৭/৮/১৮ইং রাত ৮টায় সিফাত তার অজ্ঞাত ২/৩জন সহযোগিকে নিয়ে দাপাইদ্রাকপুর জোড়পুল এলাকায় মামলার অপর বিবাদী বাবুর বাড়ির পাশে খালি জায়গায় নিয়ে মারধর করে। তাদের বেধড়ক মারপিটে আমার ছেলে মনির হোসেন গুরুতর রক্তাক্ত জখম ও অজ্ঞান হয়ে পড়লে স্থানীয় সাকিব নামে এক যুবক আমার ছেলেকে খানপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মনিরকে মৃত ঘোষনা করেন।এ দিকে থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ রংমালা নামে একজনকে গ্রেফতার করেন। মামলার ১,২,৩ নং আসামী এলাকাতে দিব্যি ঘোরাফেরা করলেও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তেমন গুরুত্ব না দেয়ায় এবং মামলার বাদীকে প্রতিনিয়ত হুমকী প্রদান করায় পরিবার পরিজন নিয়ে দুঃশ্চিন্তায় দিনানিপাত করছেন নুরুদ্দিন মিল্কি।

এ দিকে ফেরিওয়ালা মনির হোসেনকে হত্যার পরে তার পোস্টমের্টম রিপোর্টে প্রতিবেদন এসেছে যে মনিরের মৃত্যু হয়েছে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের কারনে। মনির হোসেন হত্যা মামলায় পুলিশী তেমন কোন সহযোগিতা পাচ্ছেনা নিহতের পরিবারের সদস্য এমনটাই অভিযোগ তাদের। তারা জানান,আসামী সিফাত প্রকাশ্যে ঘুরছে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করছেনা। আসামীকে গ্রেফতারের পরিবর্তে তার ঘরের যাবতীয় মালামাল ক্রোক করে নিয়ে এসেছিলেন প্রথম তদন্তকারী কর্মকর্তা ফতুল্লা মডেল থানার এসআই দিদারুল আলম। ।এ বিষয়ে নিহত মনিরের পিতা নুরুদ্দিন মিল্কি জানান, বাবা আমরাতো ২/৩ দিন পর পরই পিবিআইতে যাচ্ছি সেখানে কর্মকর্তা মোস্তফা স্যার আমাদেরকে বলছেন অতি দ্রæতই আসামীদেরকে ধরা হবে।এমন আশ্বাসের বানী এখন আর তারা শুনতে চায়না।প্রহর গুনছে সঠিক ন্যায় বিচারের।

SHARE