আমাদের নারায়ণগঞ্জ

রমজান মাসে কী খাবেন, কী খাবেন না ?

ইফত্তার

Share This Post

রমজান মাসে আমাদের খাওয়া দাওয়া, জীবন যাপন সহ সবকিছুর ই বিষয়ে দেখা যায় পরিবর্তন। সেজন্য রমজানে খাদ্যাভ্যাস হতে হবে পুরোপুরি সুষম ও সুনিয়ন্ত্রিত। তাই রমজানে সহজলভ্য ও সাধ্যের মধ্যে ইফতার করার পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদরা।
রমজান মাসে বিভিন্ন দামি কিন্তু অস্বাস্থ্যকর খাবার ও অতিরিক্ত তেল-চর্বিজাতীয় খাবার গ্রহণ করার ফলে বিভিন্ন ধরনের অসুখ সহ শারীরিক নানারকম জটিলতা দেখা দিতে পারে। উপরন্তু যদি আগে থেকেই বিভিন্ন রোগ থাকে, তাহলে রোগের উপসর্গ বা রোগ বেড়ে যেতে পারে।

 

ইফতারে খাবার তালিকায় যা রাখবেন-
১। ইফতার শুরু করতে পারেন খেজুর আর আগে থেকে ভিজিয়ে রাখা কাঠ বাদাম অথবা চিনা বাদাম দিয়ে। তারপর পানি খেতে পারেন। অতিরিক্ত পানি না খাওয়াই ভালো।
২। পারত পক্ষে চিনি জাতীয় কোন কিছুর শরবত না খাওয়ার।
৩। আপনার পছন্দ মত রসালো ফল সহ কয়েক রকম ফলমূল খান, যা আপনার পানির শূন্যতা ও পুষ্টির ঘাটতি পূরণ করবে তাৎক্ষণিক।
৪। চেষ্টা করুন তেলে ভাজা, ভুনা ও মসলা জাতীয় খাবার পরিহার করতে।

ইফতারের পর নামাজ পরে কিছুক্ষণ জোরে হাঁটুন ও কমপক্ষে ১ ঘণ্টা পর রাতের খাবার খান।

রাতের খাবার-
১। রাতের খাবারে সালাদ, মাছ, মাংস, সবজি, ডাল পছন্দ মত এবং পারত পক্ষে যতটা কম হাওয়া যায় ততই ভালো।
২/ তারাবির পর আর না খাওয়াই ভালো।
প্রছুর পরিমানে পানি পান করুন একটু একটু করে, কমপক্ষে ১০ গ্লাস ইফতার হতে সেহরি পর্যন্ত।

 

সেহরির খবার-
১। সেহরিতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি, অর্থাৎ যেসব খাবার লম্বা সময় ধরে শরীরে শক্তি যোগায়, যেমন লাল চাল, লাল আটার রুটি, ওটস।
২। সাথে সেদ্ধ ডিম, মাছ হালকা সবজি।
৩। সাথে কয়েকটি খেজুর খেতে পারেন।
৪। যারা দুধ খেতে পারেন তারা দুধ খাবেন, তবে সবকিছুর সাথে না, পরিমাণ মত।
৫। সেহরির সময় তেল মসলা জাতীয় খাবার বেশি না খাওয়াই ভালো, নয়ত বদহজম, গ্যাস ও এসিডীটী হতে পারে।

 

বিঃ দ্রঃ- যারা বাইরে কাজ করেন তারা মাঝে মধ্যে হাটার চেষ্টা করবেন, আর যারা বাসায় থাকেন তারা নিয়মিত প্রতিদিন একটু ব্যায়াম করবেন।

Subscribe To Our Newsletter

Get updates and learn from the best

More To Explore

Explore: How to Make the Most of Your Life with Food, Fashion and Fun

Health and Beauty